লক্ষ্মীপুরে দুর্বৃত্তের গুলিতে ছাত্রলীগের এক নেতা এবং যুবদলের এক কর্মী নিহত
লক্ষ্মীপুরে গুলিতে ছাত্রলীগ নেতা-যুবদলকর্মী নিহত,
লক্ষ্মীপুরে দুর্বৃত্তের গুলিতে ছাত্রলীগের এক নেতা এবং যুবদলের এক কর্মী নিহত হয়েছেন।
রোববার রাত ৯টার দিকে হাজীরপাড়ার বটতলার সিয়াম পেট্রোল পাম্পের পাশে মাঠে খেলা দেখার সময় তারা হামলার মুখে পড়েন বলে লক্ষ্মীপুর সদর থানার এএসআই মকবুল হোসেন জানিয়েছেন।
নিহত আবু নোমান (৩০) সদর উপজেলার আমানী লক্ষ্মীপুর গ্রামের আবু সুফিয়ানের ছেলে। তিনি চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ছিলেন বলে জানিয়েছেন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শেখ জামাল রিপন।
নিহত অন্যজন জাহাঙ্গীর হোসেন সদর উপজেলার পশ্চিম লতিফপুর গ্রামের মো. চৌধুরী মিয়ার ছেলে। তিনি যুবদলকর্মী ছিলেন বলে জানিয়েছেন সদর পশ্চিম উপজেলা যুবদলের সভাপতি খালেদ মোহাম্মদ আলী কিরন।
পুলিশের বক্তব্য ইঙ্গিত পাওয়া যায় যে নোমানকে লক্ষ্য করেই এই হামলা হয়েছিল, পাশে থাকা জাহাঙ্গীরও এই সময় মারা যান।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে এএসআই মকবুল বলেন, “বটতলার পাশে বাল্ব জ্বালিয়ে রাতে ক্রিকেট খেলা চলছিল। নোমান দর্শকের সঙ্গেই খেলা দেখছিলেন।
“খেলার শেষদিকে আট-দশজন মুখোশধারী যুবক আচমকা সেখানে হামলা চালায়।”
মকবুল জানান, নোমানকে লক্ষ্য করে দুর্বৃত্তরা এলোপাতাড়ি গুলি চালালে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। এসময় তার পাশে থাকা জাহাঙ্গীরও গুলিবিদ্ধ হন।
গুলিবিদ্ধ অবস্থায় জাহাঙ্গীরকে নোয়াখালীর একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হলে কিছুক্ষণ পর তিনিও মারা যান।
মকবুল বলেন, “খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে কাউকে পাইনি, কেবল রাস্তার পাশে একটি লাশ পাই। লাশটি লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে আসি।”
জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি রিপন দাবি করেছেন, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে বিএনপি-জামায়াতের কর্মীরা জড়িত।
Created at 2014-05-18 10:39:49
Back to posts
UNDER MAINTENANCE
লক্ষ্মীপুরে দুর্বৃত্তের গুলিতে ছাত্রলীগের এক নেতা এবং যুবদলের এক কর্মী নিহত
লক্ষ্মীপুরে গুলিতে ছাত্রলীগ নেতা-যুবদলকর্মী নিহত,
লক্ষ্মীপুরে দুর্বৃত্তের গুলিতে ছাত্রলীগের এক নেতা এবং যুবদলের এক কর্মী নিহত হয়েছেন।
রোববার রাত ৯টার দিকে হাজীরপাড়ার বটতলার সিয়াম পেট্রোল পাম্পের পাশে মাঠে খেলা দেখার সময় তারা হামলার মুখে পড়েন বলে লক্ষ্মীপুর সদর থানার এএসআই মকবুল হোসেন জানিয়েছেন।
নিহত আবু নোমান (৩০) সদর উপজেলার আমানী লক্ষ্মীপুর গ্রামের আবু সুফিয়ানের ছেলে। তিনি চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ছিলেন বলে জানিয়েছেন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শেখ জামাল রিপন।
নিহত অন্যজন জাহাঙ্গীর হোসেন সদর উপজেলার পশ্চিম লতিফপুর গ্রামের মো. চৌধুরী মিয়ার ছেলে। তিনি যুবদলকর্মী ছিলেন বলে জানিয়েছেন সদর পশ্চিম উপজেলা যুবদলের সভাপতি খালেদ মোহাম্মদ আলী কিরন।
পুলিশের বক্তব্য ইঙ্গিত পাওয়া যায় যে নোমানকে লক্ষ্য করেই এই হামলা হয়েছিল, পাশে থাকা জাহাঙ্গীরও এই সময় মারা যান।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে এএসআই মকবুল বলেন, “বটতলার পাশে বাল্ব জ্বালিয়ে রাতে ক্রিকেট খেলা চলছিল। নোমান দর্শকের সঙ্গেই খেলা দেখছিলেন।
“খেলার শেষদিকে আট-দশজন মুখোশধারী যুবক আচমকা সেখানে হামলা চালায়।”
মকবুল জানান, নোমানকে লক্ষ্য করে দুর্বৃত্তরা এলোপাতাড়ি গুলি চালালে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। এসময় তার পাশে থাকা জাহাঙ্গীরও গুলিবিদ্ধ হন।
গুলিবিদ্ধ অবস্থায় জাহাঙ্গীরকে নোয়াখালীর একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হলে কিছুক্ষণ পর তিনিও মারা যান।
মকবুল বলেন, “খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে কাউকে পাইনি, কেবল রাস্তার পাশে একটি লাশ পাই। লাশটি লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে আসি।”
জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি রিপন দাবি করেছেন, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে বিএনপি-জামায়াতের কর্মীরা জড়িত।
Created at 2014-05-18 10:39:49
Back to posts
UNDER MAINTENANCE